পবিত্র কুরআনে বর্ণিত প্রতিশ্রুত কেয়ামতের দৃশ্য ! পর্ব-১

Go down

পবিত্র কুরআনে বর্ণিত প্রতিশ্রুত কেয়ামতের দৃশ্য ! পর্ব-১

Post  herarnoor on Mon Nov 12, 2012 9:47 am

১. না। আমি শপথ করছি (মহা বিশ্বের বিপর্যয় সৃষ্টিকারী ভয়ংকর সেই) কিয়ামত দিবষের।
২. আর না। আমি শপথ করছি তিরস্কারকারী নফসের।
৩. মানুষ কি মনে করে যে, (মরনের পর) আমি তার হাড় সমুহ একত্র করতে পারবো না ?
৪. কেন পারব না ? আমি তো তার আংগুলের জোড়াগুলো পর্যন্ত পূর্ন বিন্যস্ত করতে সক্ষম।
৫. (বিষয়টি অনুধাবন করার পরও) মানুষ ভবিষ্যতে মন্দকর্ম করতে চায়।
৬. (হে নবী আপনাকে বিব্রত করার জন্য অবিশ্বাসীরা) প্রশ্ন করে কখন আসবে প্রতিশ্রুত সেই কেয়ামত দিবষ ?
৭. (বলুন) অতপর মানুষের চক্ষু সমুহ (বন্ধ না হয়ে) যখন স্থির হয়ে যাবে।
৮. (সূর্যের পতনের ফলে) চন্দ্র যখন আলোহীন হয়ে যাবে।
৯. এবং চন্দ্র সূর্যকে একত্রিত করে (এক মহাবিষ্ফোরনের মাধ্যমে) ধ্বংশ করে দেওয়া হবে।
১০. (ভয়ংকর এই ধংশলীলা দেখে) সেদিন মানুষ বলতে থাকবে এখন পালাবার জায়গা কোথায় ?
১১. কখনো না, সেদিন (মানবজাতীর জন্য দুনিয়ায়) কোন আশ্রয় স্থল থাকবে না।
১২. সেদিন তোমার রবের সামনেই (সমগ্র মানবজাতীকে) জীবন কর্ম নিয়ে দন্ডায়মান হতে হবে।
১৩. সেদিন মানুষকে তার পূর্বের এবং পরের কৃত কর্মগুলো জানিয়ে দেওয়া হবে।
১৪. যদিও মানুষ নিজের আমল সমুহকে ভাল ভাবেই জানে (আসলে সে কি দুনিয়ায় করে এসেছে)
১৫. সে (নিজের মন্দ আমল সমুহের ব্যপাড়ে) যতই অজুহাত পেশ করুক না কেন।
১৬. হে নবী। এ অহীকে আয়ত্ব করার জন্য তোমার জিহবাকে দ্রুত নাড়াচাড়া করোনা।
১৭. (পবিত্র এই কুরআন তোমাকে) মুখস্ত করিয়ে দেয়া আমারই দায়িত্ব।
১৮. তাই যখন কুরআন উচ্চারিত হয় তখন গভির মনযোগ দিয়ে তুমি শ্রবন করবে।
১৯. অতপর পবিত্র কুরআনের অর্থ সমুহ অনুধাবন করানো আমারই দায়িত্ব।
২০. কখনো না। আসলে তোমরা দ্রুত লাভ করা যায় জাগতিক এমন বস্তুকেই ভালবাস।
২১. এবং (ইহলোকের মোহে পরে) তোমরা আখেরাতের (অনন্ত অসীম জীবনকে) উপেক্ষা করে থাক।
২২. মহা বিচারের সেই (ভয়ংকর) দিন অল্প সংখ্যক চেহারা সজীব থাকবে।
২৩. তারা তাদের মহান রবের দিকে তাকিয়ে থাকবে।
২৪. আর কিছু সংখ্যক লোক থাকবে হতাসা গ্রস্থ (এবং চেহারা থাকবে) বিবর্ণ।
২৫. (আমলনামায় পর্যাপ্ত পাপ থাকায় তারা সুনিশ্চিত হবে) তাদের সঙ্গে আজ অত্যান্ত কঠোর আচরন করা হবে।
২৬. কখনো না। যখন মানুষের প্রান কন্ঠনালীতে এসে পরবে (ফলে তাদের অন্তর ফেটে পরার উপক্রম হবে)
২৭. এবং তারা বলতে থাকবে (কিছুটা স্বস্তি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য) এখন ঝাড় ফুক করার কেহ আছে কি ?
২৮. (ভয়ংকর সেই অন্তিম মুহুর্তে) মানুষ জেনে যাবে এখনই দুনিয়া থেকে অনন্ত বিদায় নেওয়ার সময়।
২৯. সেদিন মানুষের উভয়ের পায়ের গোছা একত্রিত হয়ে (এক জায়গায় স্থির হয়ে) যাবে।
৩০. সেদিন হবে তোমাদের মহান রবের নিকট অনন্ত যাত্রা করার দিন।
৩১. কিন্তু (হতভাগ্য মানুষ এই ভয়ংকর দিনের কথা জেনেও) সত্যকে অনুসরন করেনি এবং নামাজ আদায় করেনি।
৩২. বরং (অধিকাংশ মানুষ আল্লাহর হুকুম মানতে অস্বীকার করেছে এবং নামাজ থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
৩৩. তারপর সে দম্ভভরে (মহান ররেব হুকুম অমান্য করে) পরিবার পরিজনের নিকট ফিরে গিয়েছে।
৩৪. এই আচরন তোমার মত পাপিষ্টের জন্যই শোভনীয় এবং খোদার সঙ্গে এহেন বিদ্রোহ তোমার ক্ষেত্রেই মানায়।
৩৫. মানুষ কি (নির্ভয়ে থেকে) মনে করে নিয়েছে (সেদিন তার আমলের বদলা না দিয়েই) তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে ?
৩৬. (সৃষ্টির সূচনালগ্নে) সে কি তুচ্ছ এক বিন্দু পানি ছিল না ?
৩৭. অতপর সে মাংসপিন্ডে পরিনত হয়। তারপর আল্লাহ তাকে সৃষ্টি করেছেন এবং সুবিন্যস্ত করেছেন।
৩৮. তারপর তা থেকে সৃষ্টি করেছেন যুগল নরনারী (কোন প্রকার বৈজ্ঞানিক উপকরন ছাড়াই)
৩৯. (বিষ্ময়কর এতগুলো কর্ম সংঘটিত করার পরও) তিনি কি মৃত মানুষ পূনরায় জীবিত করতে অক্ষম ? সূরা কেয়ামাহ

http://islambd.org

herarnoor

পোষ্ট : 4
ফোরামে যোগদানের সময় : 01/08/2012

Back to top Go down

Back to top


 
Permissions in this forum:
You cannot reply to topics in this forum